সোমবার - কলকাতা



Interview: Team BRO...

Written by Avigyan Chatterjee, Posted on 2017-06-14,01:44:55 p

একটি সর্টফিম রিলিজ হয় আজ থেকে দুমাস আগে, আজ তার ইউ টিউব ভিউ প্রায় ১ মিলিয়ন। সর্ট ফিল্মের নাম "টেক কেয়ার" । কোনো ইংরিজি সেন্সুয়াল ভিডিও নিশ্চয়ই। উহু! স্রেফ একটি বাংলা ছোটো দৈর্ঘের ছবি। কি বলছেন মশাই! 

হ্যাঁ! এই অবাস্তবকে বাস্তব করে দেখিয়েছে, একটি ছোটোছবি মেকারদের দল। তাদের আগামী ছবি রিলিজ হতে চলেছে খুব শীঘ্রই, খুঁজে বের করা হল পরিচালককে। বিশাল ব্যাপার, দাদা একটু কোথা বলা যাবে ? 

 প্রশ্ন :- ১ আপনার ঠিক কখন মনে হয়েছে,  সিনেমা পরিচালনা আপনার শুধু  hobby নয় , এটা আপনার জীবনের রুটিরুজি হতে চলেছে?? 

রজত-   আমি যখন   প্রথমবার  রিংগো দার  "ক্রান্তি "  সিনেমা দেখি, আমি বুঝি বাংলা সিনেমাতে নতুন কিছু করা যায়।  সেটাই ছিল প্রথম চিন্তা। ব্যাস!  তারপর থেকেই শুরু ।  অনেককে বললাম গল্পের ব্যাপারে। অনেকে ডাকল, চা খাওয়ালো, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হল না। তারপর নিজে একটা YouTube channel  খুললাম। এখন  সেখানে আমাদের যা views সেটা অনেক বাংলা সিনেমার  ট্রেলার এও নেই। অন্যদিকে আমাদের  subscription বেশ ভালো। আর এখন এই  channel আমার life.

 প্রশ্ন :- আচ্ছা বেশ.....।।  আপনার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কি পেয়েছেন ?  যেটা আপনার ছবিতে একটা পজেটিভ এফেক্ট দিতে সাহায্য করে?

রজত-   অনেক সময় মনে হয় এটা করলে ভালো হবে কিন্তু অনেক সময় tired হয়ে যাবার জন্য সেটা করতাম না। এখন বিষয়টা থেকে শিখেছি। এখন যেটাই করি সেটাতে 100% দেবার চেষ্টা করি সব সময়। এটাই এখন আমার একমাত্র মন্ত্র। 

প্রশ্ন :- আপনার মতে দর্শক এখন কি চায়?  এবং একজন পরিচালক এর কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন? 

রজত-   দেখুন অডিয়েন্স  চায়  এন্টারটেইনমেন্ট। অনলাইন মুভি মানুষ কখন দেখবে?? যখন সে বাড়ি ফিরবে কাজ শেষ করে,  বা গাড়ির মধ্যে থাকবে, বা রাতে খাওয়ার পর ঘুমানোর আগে বা ট্রেন বা বাসে ট্রাভেল করবে তখন। সে সময় যদি ভারী ভারী content নিয়ে কাজ করা যায় তবে লোকে 20 সেকেন্ড দেখেই YouTube বন্ধ করে দেবে। আবার এই রকম অনেকে আছে যারা কিনা অনেক artistic বা  ফেস্টিভ্যাল এর কথা মাথায় রেখে ফিল্ম বানাই কিন্তু অনলাইন এ । যেটা  ভালো ,  আমি সে দিকে যাচ্ছি না। কিন্তু তাদের views অনেক কম। যার কারন এটাই যে রিলাক্স টাইমে এন্টারটেইনমেন্ট হল, অনলাইন চ্যানেল। তাই সেই রকম  কন্টেন্ট ধরে রাখাটা প্রত্যেক ফিল্ম মেকার দের দরকারি।   যতক্ষণ না একটা mark  অবধি পৌছচ্ছে এটাই করা দরকারি। 

প্রশ্ন - আপনি তো পরিচালনার পাশাপাশি এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন।  আপনাকে অভিনয় এর জন্য অনুপ্রেরণা কে দিল?  আপনি যদি পরিচালক না হতেন তবে কি আপনি  অভিনয় কে বেছে নিতেন? 

রজত-  অভিনয় এর ইচ্ছাটা স্বাভাবিক। আমি অভিনয় করতে চেয়েছিলাম এটাও সত্যি। কিন্তু অনেকে বলে অভিনয় করবার জন্য good looking  দরকার। তাই খুব একটা কাওকে এব্যাপারে বলিও নি।। তাই  সেই ভাবনা থেকেই  ডিরেক্টর হওয়া আর আমাদের সিনেমা গুলোর কন্টেট strong  করা। আর  তার ফাঁকেফাঁকে  অভিনয় টা শেখা।

প্রশ্ন - ভবিষ্যৎ  এও  কি আপনি  অভিনয় করতে ইচ্ছুক? 

রজত-  হুম অবশ্যই কেন নয়?

প্রশ্ন : Bro... s  দুই ভাই এর  আবেগ সংঘাত এর গল্প।  এই ছবিটা বানানোর জন্য কোন অনুপ্রেরণা ছিল কি?  সিনেমাটা বানাবার অভিজ্ঞতা যদি বল।

রজত-  আমি সবসময়  conversation  কে গুরুত্ব দিয়ে স্ক্রীপ্ট বানাই।  আর সেই জায়গাটা থেকেই bro..s এর জন্ম। এখানে শুভাশিস দা ভালো অভিনয় করেছে।এছাড়া  সায়ন, অনিবার্ন,  প্রো দা ভালো কাজ করেছে। এবং অভিজ্ঞান পিছনে না  থাকলে চলতোই না। যে আমায় অভিনয় করবার সময় মাথা ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করেছে। আর একজন সেটা হল সৌম্য  দা। উনি না থাকলে  one love media আজ এই জায়গাতে  পৌছাতো না। আর তার থেকেও বড় ব্যাপার হল আজ হয়ত  bro...s  কাগজেই পড়ে থাকত। 

 প্রশ্ন :-  ধন্যবাদ রজত এই বার আসি broo...s এর চিত্রগ্রাহক এবং সম্পাদকের কাছে উনি কি বলছেন। সায়ন,  আপনি এই প্রথম চিত্রগ্রাহক এবং সম্পাদক হিসেবে কাজ করলেন, অভিজ্ঞতা কি রকম? 

সায়ন (চিত্রগ্রাহক এবং এডিটর) - দারুন একটা অভিজ্ঞতা, আমরা চারজন মিলে দীঘা গেছিলাম ঘুরতে সেখানে গিয়ে রজতের হঠাত আবদার  একটা গল্প মাথায় এসেছে,  আর সে এটা তখন ই  shooting  করবে। আর আমরা team এ ছিলাম মাত্র ৪ জন। আমাদের কাছে কোন  equipment ছিল না।ভালো camera  ছিল না। ছিল  ৬০০D ছবি তুলবার জন্য। রজত বলল এইটা দিয়েই কাজ করা হবে আর চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করবি তুই।  শুনে অবাক লাগল কিন্তু মনে মনে ভালো লাগল যে  এইটা প্রথমবার করবার একটা সুযোগ এসেছে। একটা  cinematographer   এর ঠিক যতটুকু নলেজ থাকা প্রয়োজন  সেটা আমার নেই।  বিশেষ  কোন জ্জান ছাড়াই আমি এটা করতে পেরে খুশি। কাজটা এত্তটা ভালো হত না যদি কিনা  prosenjit দা না থাকত। এত্ত সুন্দর color করেছে সিনেমাটায় যা কিনা একটা অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে।  ঠিক এমন ভাবেই  edit টাও আমার করা যে আমায় edit করতে হবে। একদিন shoot গুলো নিয়ে জোড়া দিচ্ছিলাম দেখি edit  হয়ে গেছে।

 প্রশ্ন :- শুনেছি আপনি আর অভিজ্ঞান একা ছিলেন টিম মেম্বার হিসেবে,  কাজটা অনেকটাই কঠিন ছিল। সেই বিষয়ে যদি কিচ্ছু বলেন।

সায়ন - খুবই কঠিন ছিল সে ক্ষেত্রে কারন  তেমন কোন হোম ওয়াক  আমাদের করা ছিল না। আমাদের পুরো টিম সেখানে ছিল না।ডিরেক্টার নিজে আবার অভিনয় করেছে,আর ক্যামেরার পেছনে মাত্র আমরা২ জন।আমি ক্যামেরা করছিলাম আর বাকিটা সামলাছিল অভিজ্ঞান। সত্যি আমাদের খুব কষ্ট হয়েছিল কাজটা হতে,  কিন্ত আমরা সেটা বুঝতে পারিনি, কেননা আমাদের পুরো কাজ টা করতে ১.৩০  মিনিট সময় লাগে।

ধন্যবাদ সায়ন, আশা রাখি,  দর্শকের প্রতি বার এর মতন এই বার এর কাজ টাও ভালো লাগবে।এই বার শুনে নেওয়া যাক ছবির অপর অভিনেতা শুভাশিস কি বলছেন?? 

প্রশ্ন :- আপনি অভিনয় এর মধ্যে কি দেখে অভিনয় কে নিজের পেশা বানালেন?? আপনার কি আপনার অভিনয় কে আদর্শ পেশা বলে মনে হয়? 

শুভাশিস (অভিনেতা) -    হা হা হা ( হেসে) সে রকম কোন ব্যাপার নয়,,তবে ছোট বেলায় স্কুলে নাটক করতাম। একটা কনফিডেন্স ছিল যে আমি পারব। মানুষের ভালোলাগার মধ্যে থেকে আমি আমার সাক্সেস এর পথ এবং একজন ভালো অভিনেতা হবার ইচ্ছে টাকে বাঁচিয়ে রেখেছি।আর আমি এটাই  বিশ্বাস করি যে আমি পারব। মানুষের মনে একটা জায়গা করে নেব।   ব্যাস তখন থেকেই শুরু অভিনেতা হবার স্বপ্ন দেখা।

 প্রশ্ন :- বা,  খুব ভালো ,, ক্যারিয়ার এর শুরুতে এমন কোন পরিস্থিতি বলুন যেটা কিনা আপনাকে গর্বিত   বোধ করেন।।

 শুভাশিস - সময়টা ছিল কলেজের শেষ  বছর,  কম্পিউটার সায়েন্সের, সেমিস্টারটাও ছিল খুব কাছাকাছি, তখন পরিচয় হয় আমার রজতের সাথে, পড়াশোনার চাপে অভিনয় টা প্রায় চাপা পড়ে যায়। একদিন রজত বলল একটা শট ফিল্ম বানাবে , আমিও রাজী হয়ে গেলাম আর কাজটা করে ফেললাম। তবে এটা আমার প্রথম কাজ ভুল ভ্রান্তি থাকবে।  শুরু হয়ে গেল পথ চলা। পাড়ার নাটকের মঞ্চ থেকে  সোজা শহরের ঝাঁ চকচকে ছবিতে। এই দিনটায় আমি proud ফিল করেছি নিজের থেকেও বেশি রজতের উপর। হ্যা!  অবশেষে কাঊকে তো পেলাম। যে কিনা আমার স্বপ্ন টাকে বোঝে, এবং আমার স্বপ্ন টাকে সত্যি করবার  জন্য আমার সাথে সব সময় থাকবে। আজ আমি খুব সফল অভিনেতা না হলেও মাঝখানে আছি। eskay,  raindrop entertainment, balaji এর মতন বড়  প্রোডাকশনে কাজ করছি মেগাতে আর রজতে সাথে কাজ ও চলছে। 

প্রশ্ন  :- one love media team এর সাথে আপনার যোগাযোগ অনেকদিনের।  সেই একই টিমের সাথে  bro...s এর কাজ।  কেমন অভিজ্ঞতা।?

 শুভাশিস - হা হা।। ওই যে বলেছিলাম।  শুরু থেকেই আমি। হা আমি বহু বছর ধরে one love  এ আছি।   টিমটা তৈরির সময় থেকে আমি আছি। অনেক কষ্ট করেছি আমরা  এই জায়গা টায় যেতে।  আর তার থেকেও বড় ব্যাপার এটা টিম নয় একটা পরিবার হয়ে গেছে।  It's a root house of my acting..  এখানে সবাই আমার খুব কাছের।  আমি শেষ কাজ করি one love এর সাথে friends forever.   যেটা কিনা অভিজ্ঞানের  ছবি ছিল। তারপর বেশ কিছু মেগার কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ায় আমি আর one love এর সাথে কাজ করতে পারি নি। তবে নতুন করে আবার যখন কাজের সুযোগ এল তখন আর আমি লোভ সাম্লাতে পারি  নি। তারপর রাজী হয়ে গেলাম bro....s এর জন্য। এখন টিম মেম্বার বেড়েছে,  কাজের কোয়ালিটি  আগের থেকে অনেক বেটার,  সেট আপ দারুন, সব মিলিয়ে জমে ক্ষীর। bro...s কাজ টা করে আমার খুব ভালো লেগেছে।  এটা বোঝানো সম্ভব নয়। অনবদ্য কাজ করেছে সায়ন, রজত,  অভিজ্ঞান।

প্রশ্ন :- bro..s"" ছবিতে আপনার চরিত্র টা কি??  যদি একটু  বলেন?? 

শুভাশিস - এটা দুই ভাইএর মধ্যে একটা সম্পর্ক, একটা ভালোবাসার জায়গা ঠিক কতখানি রয়েছে সেটা দেখানো হয়েছে এটা দুই ভাই এর  মধ্যে বড় ভাই এর চরিত্রটায় আমি  অভিনয় করছি।আর ছোট ভাইএর অভিনয়টা অভিনয় করছে রজত। আমরা মিডল ক্লাস ফ্যামিলির একটা ছেলে।সেহেতু আমাদের   ট্রিপ্টটা দীঘা  অবধি সীমাবদ্ধ , ছোটভাই  দিল্লিতে পড়াশুনো করে,  ৪ বছর পর  আবার একসাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়, সেই পুরানো পছন্দের জায়গা সেই দীঘাতে,   কোন একটা কারনে ভাই এর মনে আমার প্রতি একটা অভিমান জন্মায় , এই রকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে থেকে দুই ভাই এর আবার  কাছাকাছি আসা।  আর বলব না,  বাকিটা আমাদের Facebook OLM official page এ and YouTube a amader channel  এ।  আর হ্যা,  প্লীজ সবাই ১৭ জুন খেয়াল রাখবেন,  আমাদের youtube channel  এ। আর প্লীজ সবাই subscribe করুন আমাদের  one love media  youtube চ্যানেলে।

 ধন্যবাদ,,  শুভাশিস,  আপনার এবং আপনার ছবির জন্য শুভ কামনা রইল। 
এবার শোনা যাক  সিনেমার সংগীত পরিচালক অনির্বান  কি বলছেন?? 

 প্রশ্ন  :-   Take care এর মিউজিক   এত্ত ভালো লেগেছে সকলের,  এছাড়া সবাই বলছে  bgm  টা অসাধারণ। 

  অনির্বান - আমার ভালো লাগছে এটা জেনে যে সকলের মিউজিক গুলো ভালো লেগেছে।  চেষ্টা করেছিলাম যে ইমোশন টাকে  ঠীক করে  এক্সপ্রেস  করতে মিউজিক দিয়ে।   আর এই চেষ্টা টা সব সময় রাখব যে  one love media   এবং অন্য সকলের সাথে যেন  এই ভাবেই কাজ করে যেতে পারি।

 প্রশ্ন :-  bro...s  এর  তো একটা সিংগেল লোকেশন শুটিং,  তার সাথে দীঘার লোকেশন,  মিঊজিক বানাবার ইন্সপিরেশন কেমন ছিল?

অনির্বান-  সিংগেল লোকেশন হলেও  এই গল্পের মেন  usp  হল এই গল্পের ইমোশন। সেটাই মাথায় রেখে কাজ টা করেছি, গল্পের প্রতি সময় ইমোশন গুলো ফিলিংস গূলো নতুন নতুন মোড় নিয়েছে , সুতরাং মিঊজিক বানাবার  জন্য একটা আলাদা মজা লেগেছে।  আমরা ইমোশন মানে  love and break up ভাবি।  সেটার থেকেও অনেক বড় বড় ইমোশন রয়েছে আমাদের জীবনে সেটা নিয়েই রজত সাহার কাজ,   সিনেমাটা দারুন,  আশা রাখি সবার ভালো লাগবে।।

 প্রশ্ন :- নিশ্চই,  আচ্ছা মিউজিক বানানোতে কে বেশি ফেক্সিবেল?  take care এর সায়ন,  নাকি Feeling Loved, Good bye ,  নাকি New film Bro..s  এর রজত? 

 অনির্বান- হা হা হা ( হেসে)  দুজনে দুরকম,  তাই দুজনের স্বাদ দুরকম,  তাই আমি সময় অনুযায়ী ওদের কাছে নিজেকে ফেক্সিবেল করে তুলি।   sorry jokes a part!  দুজনেই খুব ভালো।  এবং এক জনের কথা না বললে  নয়  সেটা হল সুমিত, যে আমার সকল কাজ গুলোতে সমান পরিমাণ  পরিশ্রম করে।   thnks to him also..
 ধন্যবাদ!  অনির্বান।  
আপনার সুর দিয়ে আমাদের এই ভাবেই আমোদিত করতে থাকুন।এবারে শোনা যাক সিনেমার প্রযোজক সৌম বাবু কি বলছেন? 

 প্রশ্ন ;-  সৌম বাবু আপনার মতে,  ছবি প্রযোজনার ক্ষেত্রে কি কি জিনিস challengeing  বলে মনে হয়?

সৌম বাবু - আসলে প্রযোজনা টা challengeing মনে হবার থেকেও আমার মনে হয় প্রযোজনা  করাটা আমার একটা  duty. কারন  গোটা পশ্চিমবঙ্গতে  অনেক ভালো ভালো  young  ছেলে মেয়েরা আছে  যারা ভালো কাজ করে,  কিন্তু সুযোগ পায় না, আমার duty  তাদের কে   প্রমোট করা।  আমি digital প্লাটফর্ম বানিয়ে তাদের কে সুযোগ  দিতে চাই।

প্রশ্ন :-বেশ!   বেশ!  ভালো পদক্ষেপ ,   প্রযোজনার  ক্ষেত্রে আপনি আগে কি দেখেন?

সৌম বাবু - আমি  বরাবরি বলি।,ভালো সিনেমা বানাবার জন্য একটা জিনিস important .  সেটা হচ্ছে script,   যেটা  কিনা  young star রা  ভালো মতন  execute করতে পারে। আর আজ কাল সবই তো digitalized. যার জন্যই আমি এই কাজটাকে সবার সামনে তুলে ধরতে  সাহায্য করি।
প্রশ্ন :-“Dear Riya,” theke “Bro . . . s”.  one love media  টিম এর সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা কি রকম ? আপনি কি ওদের কাজে satisfied ? 
 
 সৌম বাবু - ১০০ %।  ওদের কাজ করবার ধরনটাই আলাদা। সবাই খুব পরিশ্রম করে ছবি বানায়।এবং সবাই খুব প্রতিভাশালী,  এই ছেলে গুলোর সত্যি কিছু হওয়া প্রয়োজন। আর ওদের কাজের সুযোগ করে দিতে পেরে আমি সত্যি খুশি,  আর রইল olm টিমের কথা। ওদের মতন করে  execution  এর ভাবনা অনেক মানুষ এর কম আছে। তাই আমি বার বার ওদের সাথে কাজ করি,  আমি চাই dear riya, take care এর মতন ই   bro...s সবার মন ছুঁয়ে যাবে। ছবি মুক্তি ১৭ই জুন। না কোনো টিকিট কেটে নয়, দেখা যাবেে ইউটিউবে এবং উই আর বাঙালি ওয়েবসাইটে।  

ধন্যবাদ,  আপনার সিনেমা অনেক অনেক সফল হোক এটাই  কামনা করি.



আমাদের উপপদ এর সরঞ্জাম গুলি

আপনার মন্তব্য



শেষ পাওয়া এই বিভাগের খবর

জনপ্রিয় খবর গুলি